Home / পাঠক প্রিয় / খতমে বুখারীতে প্রধান অতিথি হিন্দু, বিশেষ অতিথি মহিলা।

খতমে বুখারীতে প্রধান অতিথি হিন্দু, বিশেষ অতিথি মহিলা।

খতমে বুখারীর এমন অনুষ্ঠান দেখে হয়ত শয়তানও লজ্জা পাচ্ছে । ওও ভাবছে, এত নিচে তো সেও নামতে পারবে না, যত নিচে নেমেছে কিছু মৌ-লোভী।

প্রধান অতিথি হিন্দু!
বিশেষ অতিথি মহিলা!!
সরকারী দলে কি মুসলিম পুরুষের অভাব লেগেছে?
হায়রে হকের ডিলালেরা!!!
ধিক্ তোমাদের নিকৃষ্ট মানসিকতার প্রতি।
তোমরাই ইসলামকে অপমান করছো।

এ দেশে যারা সহীহ বুখারীকে নিয়ে মাহফিলে ব্যঙ্গ করে, তারাই আবার শুধু দুনিয়াবি স্বার্থ হাসিলের জন্য খতমে বুখারীর অনুষ্ঠান করে।

বুখারীর হাদীস যতই সহীহ হোক, ওদের মতের সাথে না মিললে ঐ হাদীসের মূল্য তাদের কাছে এক আনাও নেই। সাথে সাথেই বলবে, এটা রহিত, আমলের অযোগ্য বা মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে বাতিল সাব্যস্ত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হবে।

ইমাম বুখারীর প্রশংসা করে যারা খতমে বুখারীর অনুষ্ঠানকে মাতিয়ে তুলে, তারাই আবার সহীহ বুখারীর উদ্ধৃতি দিয়ে বক্তৃতা দানকারী বক্তাকে লা মাজহাবী বলে গালী দেয়। যদিও সে হানাফি মাসলাকের বক্তা হোক না কেন।

মাঠে-ময়দানে তাদের আলোচনা শুনে মনে হয়, যদি ইমাম বুখারী র, জীবিত থাকতেন আর তিনি বাংলাদেশে আসতে চাইতেন, এই খতমে বুখারী ওয়ালারাই তাবলীগের আমীরের বিরুদ্ধে এয়ারপোর্টে যে মিছিল- অববোধ করেছিল, এর থেকে শতগুণ বেশি মিছিল-অবরোধ ইমাম বুখারী র, এর বিরুদ্ধে করতো।

অথচ, এদেশে ওরাই হকের একমাত্র ডিলারের দাবিদার!
এ দেশে কারা ইহুদীর দালাল, কাদের আক্বিদা খারাপ, কাদের পিছনে নামাজ হবে না, আলীয়া মানে খালিয়া, এ জাতীয় আরো ডজন ডজন নাপাক কথার প্রবক্তা উনারাই।

অন্যের গীবাত আর সমালোচনায় উনাদের ধারে-কাছেও কেউ পৌঁছতে পারবে না। ওনাদের কোন কোন মাহফিলের বিষয়বস্তুই থাকে নিকৃষ্ট গীবাত আর শিকায়াত। ভাবতেও অবাক লাগে, কুরআন, হাদীস পড়ুয়া শ্রোতাগুলোও গীবাত শুনার জন্য দলবেঁধে ঐ মাহফিলগুলোতে হাজির হয়।
অন্যের ভুলের সমালোচনার সময় তাদের ভাষায় কোন দরদ থাকেনা, থাকে শুধু কদর্য ভাষায় হেয় করার প্রবণতা।

অথচ নিচের ছবিই প্রমাণ করে, শুধু দুনিয়াবি স্বার্থে তারা কত নিচে নামতে পারে। তাদের ঈমান, তাকওয়া ও রাজুলিয়্যাতের মান খুবই নিচু। তাদের জন্য আফসোস ও দু’আ করা ছাড়া আর কিবা করার আছে।

আসলে বাস্তবতা হলো, শুধু যাকাত- ফিৎরা খেয়ে যারা বড় হয়, যাকাত- ফিৎরাই যাদের আয়ের উৎস হয়, যাকাতকেই হিলা করে বেতন-ভাতা নিয়ে পরিবার চালাতে হয়, তাদের ব্যক্তিত্ব ও আত্মসম্মান বলতে কিছু থাকার কথা নয়। হাদীসে এসেছে- যাকাত, সাদাকাহ সম্পদের পুঁজ তুল্য। আর এগুলোই প্রতিনিয়ত যারা খেয়ে পড়ে বেঁচে আছে, তাদের ঈমান ধীরে ধীরে তেজহীন হয়ে পড়বে, এটাই স্বাভাবিক। তবে জুনাইদ বাবু নগরী ও মাও, মামুনুল হক সাহেবদের মত যারা হিমালয়ের চুড়ার মত মাথা উঁচু করে কথা বলেন তাঁরা হয়ত যাকাত নির্ভর ছিলেন না।

নিজেদেরআত্মসম্মান না থাকায়, অন্য সম্মানী মানুষের সম্মানও ওরা বুঝেনা, নির্ধিদ্বায় হেয় করে সমালোচনা করে।
ঈমানের তেজ না থাকায়, টাকার জন্য শুধু হিন্দুকে প্রধান অতিথি নয়, খতমে বুখারী অনুষ্ঠানের সভাপতিও বানাতে পারবে, এতে ওদের বিবেকে বাধবে না।

Check Also

নির্বাচনে সেনা থাকবে আওয়ামীলীগের সমস্যা কি?? আমীর খসরী

নির্বাচনে সেনা থাকলে আ. লীগের সমস্যা কী — আমীর খসরু ————————————বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: